মূল Spirituality (আধ্যাত্মিকতা টিপস) যে কাজই করুন না কেন তাতে তুমুল সফলতার স্বাদ পেতে চান নাকি?...

যে কাজই করুন না কেন তাতে তুমুল সফলতার স্বাদ পেতে চান নাকি? তাহলে এই মন্ত্রগুলি পাঠ করতেই হবে!

যে কাজই করুন না কেন তাতে তুমুল সফলতার স্বাদ পেতে চান নাকি? তাহলে এই মন্ত্রগুলি পাঠ করতেই হবে!

আচ্ছা সবাই তো সামনভাবে পরিশ্রম করছেন, তাহলে কেউ কোনও কাজে সফল হচ্ছেন, আর কেউ অসফল, এমন কেন? আসলে বন্ধু, আত্মবিশ্বাসের উপর ভরসা করে সুন্দরভাবে কাজ করার পরেও কিছুটা তো ভাগ্যের উপরও নির্ভর করে থাকে কী সফলতা পাবেন কিনা, কি তাই তো? আর ঠিক এখানেই মন্ত্রের ক্ষমতার প্রয়োজন পরে। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এই প্রবন্ধে আলোচিত মন্ত্রগুলি ঠিক ঠিক সময়ে, ঠিক ঠিক নিয়ম মেনে জপ করলে আমাদের আশেপাশে পজেটিভ শক্তির মাত্রা এতটা বেড়ে যায় যে তার প্রভাবে খারাপ সময় কেটে যেতে সময় লাগে না। আর ভাগ্য, আত্মবিশ্বাস এবং পরিশ্রম, এই তিনটি যখন এক সঙ্গে হাত মেলায়, তখন সফলতা রোজের সঙ্গী হয়ে উঠতে যে সময় লাগে না, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না!

তাই তো বলি বন্ধু, আর অপেক্ষা নয়, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে যদি চরম সফলতার স্বাদ পেতে চান, তাহলে ঝটপট পড়ে ফেলুন এই লেখাটা। প্রসঙ্গত, যে যে মন্ত্রগুলি এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, সেগুলি হল…

১. শক্তিশালী গণেশ মন্ত্র:

১. শক্তিশালী গণেশ মন্ত্র:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে কর্মক্ষেত্রে একের পর এক সফলতার স্বাদ পেতে এই মন্ত্রটি নানাভাবে সাহায্যে করতে পারে। আসলে নিয়মিত এই গণেশ মন্ত্রটি পাঠ করলে গণপতি বাপ্পা এতটাই প্রসন্ন হন যে তাঁর আশীর্বাদে সফলতা রোজের সঙ্গী হয়ে উঠতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে অফিস সংক্রান্ত নানা ঝামেলাও মিটে যায় এবং আপনার প্রতিপক্ষদের পক্ষে কোনও ক্ষতি করে ওঠাও সম্ভব হয় না। প্রসঙ্গত, এত রকমের সুফল পেতে যে গণেশ মন্ত্রটি জপ করতে হবে, সেটি হল- “ওম গাম গণপতয়ে নমহঃ”।

২. মনের মতো চাকরি পেতে গেলে:

২. মনের মতো চাকরি পেতে গেলে:

কোনও ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার আগে যদি এই রাম মন্ত্রটি পাঠ করতে পারেন, তাহলে চকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যাই হবে না দেখবেন। সেই সঙ্গে এই মন্ত্রটির শক্তিতে আরও কিছু উপকার মেলার সম্ভাবনাও যাবে বেড়ে। যেমন ধরুন- এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এই মন্ত্রটি নিয়মিত পাঠ করলে মনের মতো জীবনসঙ্গী মেলার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে চাকরি এবং জীবন সংক্রান্ত সব ধরনের ঝামেলাও মিটে যায় চোখের পলকে। তাই তো বলি বন্ধু, এই মানব জীবনে যদি সব দিক থেকে আনন্দে এবং নিরাপদে থাকতে চান, তাহলে এই মন্ত্রটি পাঠ করা মাস্ট! প্রসঙ্গত, মন্ত্রটি হল- “প্রবিসি নগর কিজাই সাব কিজা, হৃদয়া রাখি কোসালপুর রাজা।”

৩. বৈবাহিক জীবনে সুখ-শান্তিতে থাকেত:

৩. বৈবাহিক জীবনে সুখ-শান্তিতে থাকেত:

আচ্ছা একটা কথা বলুন তো, পরিবারিক জীবনে যদি আপনি শান্তিতে না থাকতে পারেন, তাহলে কর্মক্ষেত্রে সফল হবেন কীভাবে বলুন তো! তাই তো পার্সোনাল লাইফে প্রথমে সফল হতে হবে। আর ঠিক এই কারণেই “জানি গৌরী আনুকূল সিয়া হিয়া হার্ষি নম জাই কাহি মাজুল মঙ্গল মৌল আঙ্গা ফার্কান লাগে”, এই মন্ত্রটি জপ করতে ভুলবেন না যেন! আসলে এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এই মন্ত্রটি নিয়মিত পাঠ করলে বৈবাহিক জীবনে কোনও ধরনের অশান্তি মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কা যায় কমে। ফলে জীবনের প্রতিটা দিন এতটাই আনন্দে ভরে ওঠে যে কাজের প্রতি মনোযোগ আরও বৃদ্ধি পায়। ফলে সফলতা রোজের সঙ্গী হয়ে উঠতে সময় লাগে না।

৪. সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে:

৪. সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে:

একেবারে ঠিক শুনেছেন বন্ধু! বাস্তবিকই এই মন্ত্রটি ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনাকে কমায়। আর জীবনের বেশিরভাগ সময়ই যদি আপনার ডিসিশন ঠিক হয়, তাহলে সার্বিকভাবে সফলতা লাভের সম্ভাবনা যে বাড়ে, তা আর কি বলার আপেক্ষা রাখে! তাই তো বলি বন্ধু জীবনের প্রতিটি টার্নিংয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সফলতার সিঁড়িতে তরতরিয়ে যদি উঠতে চান, তাহলে “”জেহি দেবী হই নাথ হিত মোরা কারাহু সো ভেগি দাস মেন তোরা”, এই মন্ত্রটি জপ করতে ভুলবেন না যেন!

৫. প্রতিপক্ষদের নিকেশ ঘটতে সময় লাগবে না:

৫. প্রতিপক্ষদের নিকেশ ঘটতে সময় লাগবে না:

খেয়াল করে দেখবেন অনেক সময়ই আপনার বহু সহকর্মী চান না আপনি উন্নতি করুন। তাই নানা সময় নানা বাঁধার সৃষ্টি করে থাকে। আর এই কারণে কিছু কিছ সময় এমন পরিস্থিতি জন্ম নেয় যে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পরিশ্রম করার পরেও আপনার পক্ষে সফলতা লাভ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই তো বলি বন্ধু, কর্মজীবনে চরম উন্নতির স্বাদ পেতে গেলে প্রথমে এইসব প্রতিপক্ষদের নিকেশ ঘটাটা একান্ত প্রয়োজন। আর ঠিক এই কারণেই প্রতিদিন “দিনদয়াল ভিরাদ সম্ভারি হারাহু নাথ মাম সঙ্কট ভারি”, এই মন্ত্রটি পাঠ করতে ভুলবেন না যেন! কারণ এমনটা করলে দেখবেন প্রতিপক্ষদের নিকাশ ঘটতে সময় লাগবে না। আর এমনটা হলে আপনার বিজয়রথ তরতরিয়ে উন্নতির পথে এগিয়ে যেতে যে সময় লাগবে না, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

৬. সফল হতে হতে শেষে অসফল হওয়ার প্রবণতা রোধ করতে:

৬. সফল হতে হতে শেষে অসফল হওয়ার প্রবণতা রোধ করতে:

খেয়াল করে দেখবেন এমনটা আমাদের অনেকের সঙ্গেই ঘটে থাকে। সব কিছু ঠিক চলতে চলতে হঠাৎ করে সব খারাপ হতে শুরু করে। তবে আর নয়! এবার থেকে এমনটা আর হবে না। কিন্তু সেটা সুনিশ্চিত করবেন কীভাবে তা জানেন কি? এক্ষেত্রে বন্ধু, একটি মন্ত্র পাঠ করতে হবে। তাহলেই দেখবেন কেল্লা ফতে! প্রসঙ্গত, মন্ত্রটি হল “স্থানে হৃষিকেশ তভ প্রকিরতায়া জগৎ প্রাহরুশায়াত অনুরজাতে চ রকশানি ভিতানি দিশো দ্রাভান্তি সার্ভে নমোশায়ান্তি চ সিদ্ধাসংগহ”।

যে কাজই করুন না কেন তাতে তুমুল সফলতার স্বাদ পেতে চান নাকি? তাহলে এই মন্ত্রগুলি পাঠ করতেই হবে!

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here