মূল Insync (উদ্ভট বাংলা টিপস) প্রেমিক-প্রেমিকার সঙ্গে কি প্রায়ই ঝামেলা হয়? তাহলে সম্পর্ককে বাঁচাতে এই নিয়মগুলি মানতেই...

প্রেমিক-প্রেমিকার সঙ্গে কি প্রায়ই ঝামেলা হয়? তাহলে সম্পর্ককে বাঁচাতে এই নিয়মগুলি মানতেই হবে!

প্রেমিক-প্রেমিকার সঙ্গে কি প্রায়ই ঝামেলা হয়? তাহলে সম্পর্ককে বাঁচাতে এই নিয়মগুলি মানতেই হবে!

কাউকে ভালোবাসা খুব সহজ। কিন্তু সই সম্পর্কটাকে টিকিয়ে রাখাটাই সবথেকে কঠিন কাজ। আর এমনটা করতে গিয়ে নানা সময়ে নানা ঝামেলা, নানা কলহ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠাটা তো স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু এই সব মতবিরোধের কারণে যদি সম্পর্কটাই না টিকে থাকে, তাহলে আর কি লাভ বলুন! তাই তো বলি বন্ধু, ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে সারা জীবন যদি কাটাতে হয়, তাঁকে বিয়ে করে যদি জীবনসঙ্গী বানাতে হয়, তাহলে এই প্রবন্ধটি একবার পড়ে ফলতে দেরি করবেন না যেন!

কেন, কী এমন লেখা রয়েছে এই প্রবন্ধে, যা কোনও সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে পারে। আসলে বন্ধু এই লেখায় এমন কিছু নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, যা মেনে চললে প্রিয় মানুষটির সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি প্রেমের সম্পর্কে ফাটল ধরার আশঙ্কাও যায় কমে। এবার বুঝেছেন তো পাঠক বন্ধু, কী কারণে এই লেখাটা পড়া সবারই একান্ত প্রয়োজন।

প্রসঙ্গত, যে যে নিয়মগুলি এক্ষেত্রে মেনে চলতে হবে, সেগুলি হল…

১. তুলসি গাছে জল দান জরুরি:

১. তুলসি গাছে জল দান জরুরি:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বাড়িতে তুলসি গাছ এনে যদি তাতে নিয়মিত জাল দান করা যায়, তাহলে ভালোবাসার সম্পর্কে অবনতি ঘটার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধির ছোঁয়া লাগতেও সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, এই নিয়মটি মেনে চললে বৈবাহিক জীবনে কোনও ধরনের সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার সম্ভাবনাও আর থাকে না। তাই তো বলি বন্ধু, ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে যদি সম্পর্কটা আরও মজবুত করতে হয়, তাহলে এই নিয়মটি মেনে চলতে ভুলবেন না যেন!

২. বাঁশির যাদু:

২. বাঁশির যাদু:

শাস্ত্র মতে তুলসি গাছের সামনে যদি একটি বাঁশের অথবা রূপোর বাঁশি রাখা যায়, তাহলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার সম্পর্কের অবনতি ঘটতে যেমন সময় লাগে না, তেমনি প্রেমিক-প্রেমিকাও নানাবিধ উপকার পান। যেমন ধরুন- ছোট ছোট কারণ প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যে ঝামেলা হওয়ার প্রবণতা যেমন কমে, তেমনি সম্পর্কের পথে কোনও ধরনের বাঁধা আসার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়।

৩. ভূর্জ পাতার মহিমা:

৩. ভূর্জ পাতার মহিমা:

শুনতে হয়তো আজব লাগতে পারে, কিন্তু নানা প্রাচীন বইয়ে এমনটা উল্লেখ পাওয়া যায় যে ভূর্জ পাতার উপর প্রেমিক-প্রেমিকার নাম লিখে, তাতে অল্প করে গঙ্গা জল ছিটিয়ে যদি একটা বাক্সে রেখে দেওয়া যায়, তাহলে সম্পর্কের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, যে কোনও ধরনের বিপদ এবং কলহও মিটে যায় চোখের পলকে। প্রসঙ্গত, জানি বন্ধু এই টোটকাটি শুনতে হয়তো আজব লাগতে পারে। কিন্তু একবার কাজে লাগিয়ে দেখতে ক্ষতি কি বলুন!

৪. মঙ্গল দোষ আছে কিনা জানতে হবে:

৪. মঙ্গল দোষ আছে কিনা জানতে হবে:

অনেক সময় ছেলে বা মেয়ের কুষ্টিতে মঙ্গল দোষ থাকলেও সম্পর্ক টিকতে চায় না। এমনকি বিয়ের কথা ঠিক হয়ে যাওয়ার পরেও বারে বারে বিয়ে ভাঙতে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গল শান্তির পুজো করতে হবে। সেই সঙ্গে কীভাবে মঙ্গল দোষ কাটানো যায়, সে সম্পর্কে একজন দক্ষ জ্যোতিষবিদের থেকে জেনে নিতে হবে।

৫. শনি দেবকে প্রসন্ন করতে হবে:

৫. শনি দেবকে প্রসন্ন করতে হবে:

এমনটা বিশ্বাস কর হয় যে জন্ম কুষ্টিতে শনি গ্রহের অবস্থান বিগড়ে গেলে বা শনির সাড়েসাতির খপ্পরে পরলেও অনেক সময় সম্পর্ক টিকতে চায় না। আর যদি টিকেও বা যায়, তাহলেও কথায় কথায় ঝামেলা হতে শুরু করে প্রেমিক বা প্রেমিকার মধ্যে। তাই তো বলি বন্ধু, যে কোনও সম্পর্ককে যদি টিকিয়ে রাখতে হয়, তাহলে শনি দেবেকে সন্তুষ্ট রাখাটা একান্ত প্রয়োজন। আর এমনটা করতে গেলে প্রতি শনিবার সরষের তেল এবং তিল নিবেদন করে শনি দেবের পুজো করতে হবে। তার সঙ্গে পাঠ করতে হবে শনি মন্ত্র। আর যদি সম্ভব হয়, তাহলে হনুমানজি এবং শিব ঠাকুরের পুজোও শুরু করতে পারেন। কারণ এমনটা করলে শনি দেবের খারাপ প্রভাব কেটে যেতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্কে দাড়ি পরার আশঙ্কাও যায় কমে।

৬. শুক্রবার করে করতে হবে শুক্র গ্রহের পুজো:

৬. শুক্রবার করে করতে হবে শুক্র গ্রহের পুজো:

জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে শুক্র গ্রহ দুর্বল হয়ে পরলেও অনেক সময় প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যে ঝামেলা বাড়তে শুরু করে। তাই শুক্র গ্রহ যাতে বিগড়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখা একান্ত প্রয়োজন। আর এমনটা করতে প্রতি শুক্রবার, শুক্র গ্রহের পুজো করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। তবে আরেকটা কাজও করতে পারেন, যদি পকেট সঙ্গ দেয় তো। কী কাজ? এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে হিরের আংটি পরলে শুক্র গ্রহ দুর্বল হয়ে পরার আশঙ্কা প্রায় থাকে না বললেই চলে।

প্রেমিক-প্রেমিকার সঙ্গে কি প্রায়ই ঝামেলা হয়? তাহলে সম্পর্ককে বাঁচাতে এই নিয়মগুলি মানতেই হবে!

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here