মূল Beauty (বাংলা বিউটি টিপস) মুখের ত্বকের সমস্যা? ফেস মাস্কে সমাধান করবেন কীভাবে?

মুখের ত্বকের সমস্যা? ফেস মাস্কে সমাধান করবেন কীভাবে?

মুখের ত্বকের সমস্যা? ফেস মাস্কে সমাধান করবেন কীভাবে?

মুখে ব্রণ, তৈলাক্ত ভাব সরিয়ে ফেলতে বা মুখের হারিয়ে যাওয়া জেল্লা ফিরিয়ে আনতে ফেস মাস্কের জুড়ি মেলা ভার। সবরকম ক্রিম, সাবান বা লোশন যখন ফেল মেরে যায়, তখন ভরসা এই ফেস মাস্ক। যে কোন প্রফেশনাল ফেসিয়াল আর্টিস্টও তাই বেছে নেন এই ফেস মাস্ককে। তবে ত্বক বুঝে বাছতে হয় ফেস মাস্ক।

নয়তো আপনার সব পরিশ্রম জলে। তাই কী ধরনের ফেস মাস্ক বাছবেন, তা ঠিক করতে প্রথমেই বুঝে নিন আপনার ত্বক ঠিক কীরকম।

১। তৈলাক্ত ত্বক

১। তৈলাক্ত ত্বক

মুখের ত্বক তৈলাক্ত হলে সহজেই ব্রণ হয়, এমনকী বাইরের পরিবেশের ধুলোবালি সহজেই আটকে যায় মুখে। তাই আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তবে আপনাকে নিতে হবে তুলনায় বেশি সুরক্ষা। তৈলাক্ত ত্বকের বিউটিশিয়ানরা পরামর্শ দেন মাটির মাস্ক বেছে নিতে। মাটির মাস্ক এই কারণেই, যেহেতু এটা সহজেই পাওয়া যায়, এর জোগাড় করতে আপনাকে বেশি খাটতে হয় না। মাটির মাস্ক সহজেই আপনার মুখের ব্রণ সমেত অন্যান্য মৃত কোষ তুলে নিয়ে আসে। মুখের ত্বকের ভিতর রক্ত চলাচল রাখে, ত্বককে তৈলাক্ত হওয়া থেকে আটকায়। তবে বেশি পরিমাণে মাটির মাস্ক ব্যবহার করলে মুখের ত্বক অত্যন্ত শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। আমাদের দেশে মুলতানি মাটি প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহার করা হয়ে আসছে এই ধরনের সমস্যা মেটাতে। তাই এক্ষেত্রেও একই সমাধান, মুলতানি মাটির সঙ্গে জল গুলে ও কয়েকফোঁটা লেবু দিয়ে রেখে দিন আধঘন্টা। তারপর ব্যবহার মুখে। তবে এই মাস্ক সপ্তাহে দুই থেকে তিনবারের বেশি ব্যবহার না করাই ভালো। শুধু মুলতানি মাটি নয়, বাজারে ইরো তিন-চার রকমের মাটির মাস্ক পাওয়া যায় যেগুলো সবই তৈলাক্ত ত্বকের জন্য যথেষ্ট কার্যকরী। তবে কিছু নির্দিষ্ট ফল দিয়ে তৈরি মাস্কও আপনার তৈলাক্ত ত্বকের উপর খুব ভালো কাজ দেবে। যেমন কলা আর মধুর মিশ্রণ দিয়ে তৈরি মাস্ক আপনার মুখের ত্বক থেকে তৈলাক্ত ভাব দূরে রাখে ও ত্বকের জলীয়ভাব ধরে রাখে। আপনি নিজে ফল থেকে মাস্ক তৈরির ঝক্কি না পোহাতে চাইলে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন বাজারে লভ্য মাস্ক ক্রিম, যেগুলো ব্যবহার করার পদ্ধতি খুব সহজ আর দামও আপনার সাধ্যের মধ্যেই থাকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে।

২। শুষ্ক ত্বক:

২। শুষ্ক ত্বক:

শুষ্ক ত্বকের জন্যও রয়েছে সমাধান। এক্ষেত্রে যাদের শুষ্ক ত্বক তারা চোখ বুজে বেছে নিন অ্যালোভেরাকে। ত্বকের জলীয়ভাব ধরে রাখতে অ্যালোভেরার যেমন জুড়ি মেলা ভার, তেমনই এটি শুস্ক ত্বকের ফেস মাস্ক তৈরিতে দারুণ কাজ দেয়। ভালো ফল পেতে হলে অ্যালোভেরার সঙ্গে মিশিয়ে নিন শশার টুকরো। শশা গোল গোল করে কেটে মিক্সার গ্রাইন্ডারে শশা আর অ্যালোভেরা মিশিয়ে ব্লেড। এরপর মুখে লাগিয়ে অপেক্ষা করুন আধঘন্টা। তারপর ধুয়ে ফেলুন। এছাড়াও নারকোলের দুধের সঙ্গে মাখনের মিশ্রণে তৈরি করতে পারেন ফেস মাস্ক যা আপনার শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে খুব উপকারী ও হবে।

৩। ছেলেদের মুখের ত্বক

৩। ছেলেদের মুখের ত্বক

ছেলে বলে মুখে ফেস মাস্ক ব্যবহার করা যাবে না, এরকম কোনও কথা নেই। আজকাল অনেক পুরুষই তাদের মুখের জেল্লা ফেরাতে আর ব্রণ এড়িয়ে চলতে ফেস মাস্ক ব্যবহার করে থাকেন। ছেলেদের ক্ষেত্রে মুখের ত্বক একটু রুক্ষ হয় তাই এর জন্য রয়েছে আলাদারকমের ফেস মাস্ক ব্যবহারের পদ্ধতি। ডিমের হলুদ অংশটা ছেলেদের ক্ষেত্রে ফেস মাস্ক হিসেবে খুব কারশযকরী। ডিমের হলুদ অংশটা বের করে তাতে অল্প ময়দা গুলে মুখের উপর প্রয়োগ করতে হয়। আধঘন্টা অপেক্ষার পর মুখ ধুয়ে ফেললে, দেখা যাবে মুখের মৃতকোষ, ব্রণ ও তৈলাক্ত ভাব আর নেই। ডিমের হলুদ অংশের মাস্কের ছেলেরা ব্যবহার করতেই পারেন অ্যালোভেরা মাস্ক, মুলতানি মাটির মাস্ক ইত্যাদি।

মুখের ত্বকের সমস্যা? ফেস মাস্কে সমাধান করবেন কীভাবে?

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here