মূল Spirituality (আধ্যাত্মিকতা টিপস) গুডলাক সারাক্ষণ সঙ্গ দিক এমনটা যদি চান তাহলে বাড়ি থেকে বেরনোর আগে...

গুডলাক সারাক্ষণ সঙ্গ দিক এমনটা যদি চান তাহলে বাড়ি থেকে বেরনোর আগে এই কাজগুলি করতেই হবে!

গুডলাক সারাক্ষণ সঙ্গ দিক এমনটা যদি চান তাহলে বাড়ি থেকে বেরনোর আগে এই কাজগুলি করতেই হবে!

এদেশে এমন অনেক বিশ্বাস, এমন অনেক মতামত রয়েছে যা আপাত দৃষ্টিতে আজগুবি বলে মনে হলেও আদতে কিন্তু একেবারেই নয়। যেমন এই লেখায় উল্লেখিত হতে চলা বিশেষ কিছু নিয়মের কথাই ধরুন না। প্রাচীনকালে লেখা একাধিক বই অনুসারে এমন কিছু নিয়ম আছে, যা মেনে চললে নিজের ভাগ্যকে অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়। তাই তো বলি বন্ধু, যারা বিশ্বাস করেন ভাগ্যকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়, তারা দয়া করে এই লেখাটি পড়তে ভুলবেন না যেন!

একটা কথা বলতে পারি বন্ধু। একবার বিশ্বাস করে যদি এই প্রবন্ধে আলোচিত নিয়মগুলি মেনে চলেন, তাহলে উপকার যে পাবেই পাবেন, সে কথা হলফ করে বলতে পারি। আর তর্কের খাতিরে যদি ধরে নি লেখাটা পড়ার পর আপনার যদি এই নিয়মগুলি আজগুবি বলে মনে হয়, তাহলেও তো কোনও ক্ষতি হবে না আপনার। তাই একবার চান্স নিয়ে দেখতে পারেন কিন্তু…!

প্রসঙ্গত, গুজ লাককে রোজের সঙ্গী বানাতে যে যে বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে, সেগুলি হল…

১. হাত ধুয়ে নিতে ভুলবেন না যেন:

১. হাত ধুয়ে নিতে ভুলবেন না যেন:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বাড়ি থেকে বেরনোর আগে যদি হাতটা অল্প জলে ধুয়ে নেওয়া হয়, তাহলে যে কোনও কাজে সফলতা লাভের সম্ভাবনা যায় বেড়ে। সেই সঙ্গে কোনও ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও আর থাকে না।

২. গুড়ের শক্তি:

২. গুড়ের শক্তি:

সারাটা দিন ভাগ্য আপনার সঙ্গ দিক, এমনমটা যদি চান নাকি? তাহলে প্রতিদিন বাড়ি থেকে বেরনোর আগে অল্প গুড় এবং এক গ্লাস জল খেয়ে বেরতে ভুলবেন না যেন! এমনটা করলে খারাপ সময় তো কেটে যাবেই, সেই সঙ্গে শারীরিক এবং মানসিক এনার্জি এত মাত্রায় বেড়ে যাবে যে চরম সফলতার স্বাদ পেতে দেখবেন বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না।

৩. লবঙ্গ এবং ভাগ্য:

৩. লবঙ্গ এবং ভাগ্য:

বিশেষজ্ঞদের মতে বাড়ি থেকে বেরনোর আগে যদি পকেটে পাঁচটি লবঙ্গ রেখে দেওয়া যায়, তাহলে দারুন উপকার পাওয়া যায়। আসলে এমনটা করলে আমাদের আশেপাশে উপস্থিত খারাপ শক্তির প্রভাব কমতে শুরু করে, বাড়তে থাকে শুভ শক্তির মাত্রা, যে কারণে খারাপ সময় কেটে যেতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে হঠাৎ করে কোনও বিপদে পরার আশঙ্কাও যায় কমে।

৪. গোলমরিচ:

৪. গোলমরিচ:

একেবারে ঠিক শুনেছেন বন্ধু! আমাদের ভাগ্যের সঙ্গে গোলমরিচের সম্পর্কটা বেশ গভীর। আসলে এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বাড়ি থেকে বেরনোর আগে সদর দরজার সামনে অল্প করে গোলমরিচ ছড়িয়ে দিলে আটকে থাকা যে কোনও কাজ পুনরায় হতে শুরু করে দেয়। সেই সঙ্গে নতুন কোনও কাজ শুরু করলে তাতে সফলতা লাভের সম্ভাবনাও যায় বেড়ে। তবে এক্ষেত্রে একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে। তা হল গোলমরিচ ছড়ানোর পর আর পিছনের দিকে ফিরে তাকাবেন না যেন! কারণ এমনটা করলে উপরে আলোচিত উপকারগুলি পাওয়ার সম্ভাবনা যাবে কমে।

৫. গণেশ মন্ত্র:

৫. গণেশ মন্ত্র:

শাস্ত্র মতে গণেশ ঠাকুর হলেন সুখ-সমৃদ্ধির দেবতা। তাই তো দেবের অরাধনা করা শুরু করলে কর্মক্ষেত্রে উন্নতি লাভের সম্ভবনা যেমন বেড়ে যায়, তেমনি সর্বশক্তিমানের আশীর্বাদে অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটতেও সময় লাগে না। তবে যদি চান খারাপ সময় কেটে গিয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হয়ে উঠুক, তাহলে গণপতির অরাধনা করার পাশাপাশি আরেকটি নিয়ম মেনে চলতে হবে। তা হল বাড়ি থেকে বেরনোর আগে “ওম গন গাণপাতায়ে নমহঃ”, এই মন্ত্রটি মনে মনে উচ্চারণ করতে হবে এবং বেরনোর পর যে দিকে যেতে চান, সেদিকে না গিয়ে উল্টো দিকে চার পা গিয়ে পেছনে ফিরে নিজের গন্তব্যের দিকে রওনা হতে হবে। এমনটা নিয়মিত করলে দেখবেন উপকার পাবেই পাবেন…!

৬. শ্বাস-প্রশ্বাসের খেল:

৬. শ্বাস-প্রশ্বাসের খেল:

খেয়াল করে দেখুন তো নাকের দুটি ছিদ্রের কোনটি দিয়ে আপনি জোড়ে শ্বাস নেন। যদি দেখেন ডান ছিদ্র দিয়ে বেশি মাত্রায় বাতাস প্রবেশ করে, তাহলে বাড়ি থেকে বেরনোর সময় ডান পাটা প্রথমে গেটের বাইরে বাইরে রাখবেন। অর্থাৎ যে ছিদ্র দিয়ে শ্বাস বেশি যায়, সেই পা প্রথমে বাড়ির বাইরে রাখতে হবে। তাহলেই দেখবেন কেল্লা ফতে!

৭. ১৩ তারিখ নৈব নৈব চ:

৭. ১৩ তারিখ নৈব নৈব চ:

শুভ কাজ যেমন ১৩ তারিখ শুরু করা উচিত নয়, তেমন বাড়িতে কোনও কিছুই যে ১৩ নম্বরে এসে না আটকায়। যেমন ধরুন সিঁড়ির সংখ্যা যেন না হয় ১৩ বা বাড়িতে থাকা মোট জানলা-দরজার সংখ্যা যদি ১৩ তে এসে দাঁড়ায়, তাহলে কিন্তু চিন্তার বিষয়!

৮. মোমবাতি:

৮. মোমবাতি:

বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে সারা দিন কাজের শেষে বাড়িতে ফেরার পর প্রথমেই একটা মোমবাতি জ্বালানো উচিত। কারণ এমনটা করলে গৃহস্থে উপস্থিত খারাপ শক্তির প্রভাব কমতে শুরু করে। ফলে কোনও ধরনের খারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি খারাপ শক্তির প্রভাবে দুর্ভাগ্য পিছু নেওয়ার সম্ভাবনাও আর থাকে না।

৯. পাউরুটি এবং নুন:

৯. পাউরুটি এবং নুন:

শুনতে আজব লাগলেও এমনটা অনেকে বিশ্বাস কেরন যে নতুন বাড়িতে প্রবেশ করার পর পরিবারের প্রতিটি সদস্য যদি অল্প করে পাঁউরুটি এবং নুন খান, তাহলে জীবনে কোনও দিন খাবারের অভাব দেখা দেওয়ার আশঙ্কা আর থাকে না বললেই চলে।

গুডলাক সারাক্ষণ সঙ্গ দিক এমনটা যদি চান তাহলে বাড়ি থেকে বেরনোর আগে এই কাজগুলি করতেই হবে!

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here